২০১৭ সাল। বিকেলের মায়াময় আলোয় একটি মোটরসাইকেলের পেছনে বসে যাচ্ছিলেন এক তরুণ। মুহূর্তের এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা। চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসা সেই দিনটি আবদুল বাছেদের জীবনের চিরচেনা ছন্দটা ওলটপালট করে দিয়েছিল। স্পাইনাল কর্ডে আঘাতের কারণে অবশ হয়ে গেল দুই পা। যে চঞ্চল পায়ে তিনি পৃথিবী ঘুরে বেড়ানোর স্বপ্ন দেখতেন, সেই পায়েই স্থায়ী সঙ্গী হয়ে গেল একটি হুইলচেয়ার।
প্রচলিত কথায় আছে, ‘একটি দুর্ঘটনা সারা জীবনের কান্না।’ কিন্তু বাছেদ সেই কান্না মুছে ফেলে ধৈর্য আর কঠোর পরিশ্রমের এক নতুন অভিধান লিখতে শুরু করলেন। আজ সেই হুইলচেয়ারের চাকাগুলো আর সীমাবদ্ধতার প্রতীক নয়, বরং সেগুলোই এখন বাছেদের সাফল্যের ডানা। আজ ফ্রিল্যান্সিং করে আবদুল বাছেদের মাসিক আয় এক লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা।
